ব্রহ্মতত্ত্ব ও পরমগতি : সদানন্দ যোগীন্দ্রের দৃষ্টিতে একটি দার্শনিক রূপরেখা

Authors

  • Tapan Ruidas SACT, ডঃ ভুপেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি মহাবিদ্যালয়, পূর্ব বর্ধমান Author

Keywords:

  • সচ্চিদানন্দম্,
  • সৎ,
  • পরমগতি,
  • স্বরূপ লক্ষণ,
  • পুরুষার্থ

Abstract

আমার এই গবেষণা প্রবন্ধে মূল আলোচ্য বিষয় হল অদ্বৈতবৈদান্তিক সদানন্দ যোগীন্দ্র সরস্বতী কিভাবে তাঁর অদ্বৈতভাবনায় ব্রহ্মতত্ত্ব ও জীবের পরম গতির প্রতি আলোকপাত করেছেন তা বিচারপূর্বক বিশ্লেষণ করা এবং ব্রহ্মতত্ত্ব ও পরমগতির মধ্যে কোনো প্রকার সম্বন্ধ আছে কিনা তা প্রতিপাদন করাই মূল উদ্দেশ্য। সদানন্দ যোগীন্দ্র তাঁর অদ্বৈতভাবনায় ব্রহ্মকে নির্গুণ ও একমাত্র অস্তিত্বশীল বস্তু রূপে স্বীকার করেছেন। এই নির্গুণ ব্রহ্ম হল সৎ, চিৎ ও আনন্দস্বরূপ। এছাড়া তিনি এই রূপ নির্গুণ ব্রহ্মকে আত্মজ্ঞান লাভের এক উপায় হিসাবে স্বীকার করেছেন। আর পরমগতি বলতে শাস্ত্র স্বীকৃত জীবের সর্ব উৎকৃষ্ট অবস্থা, যে অবস্থায় জীবের ব্যক্তিত্ত্বের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে, যার ফলে ব্যক্তি পরমসুখের বা নিত্যানন্দের সন্ধান পায়। সুতরাং নিত্যানন্দের প্রাপ্তিই হল জীবের পরমগতি।এই পরমগতির উপলব্ধি করাই হল জীবের সর্বশ্রেষ্ঠ লক্ষ্য বা পরম পুরুষার্থ। তিনি এই পরম লক্ষ্যে পৌঁছানোর একমাত্র উপায়স্বরূপ নির্গুণ ব্রহ্মকেই নির্দেশ করেছেন। সুতরাং পরম সুখস্বরূপ পরমগতি হল জীবের লক্ষ্য ও নির্গুণ ব্রহ্ম হল ঐ লক্ষ্য সাধনের একমাত্র উপায়। তবে সাধন প্রণালীর ক্ষেত্রে শ্রবন, মনন, নিদিধ্যাসন ছাড়াও সমাধি বা যোগকে আত্ম উপলব্ধির উপায় হিসাবে স্বীকার করেছেন। প্রসঙ্গত বলা উচিৎ যে, পারমার্থিক স্তরে উন্নত হলে লক্ষ্য ও উপায়ের মধ্যে কোন ভেদ থাকে না। তখন লক্ষ্য ও উপায় এক ও অভিন্ন হয়ে যায়। কারণ ব্রহ্ম স্বয়ং শুধু সৎ বা জ্ঞান স্বরূপ নয়, তিনি আনন্দ স্বরূপও। সুতরাং ব্রহ্ম ও আনন্দ অভেদ সম্পর্কে আবদ্ধ। আবার এটাও বলা যেতে পারে যে, পরমগতি ও ব্রহ্মতত্ত্ব পরস্পর অবিচ্ছেদ্য সম্বন্ধে আবদ্ধ।

Downloads

Download data is not yet available.

References

১. মণ্ডল, প্রদ্যোত কুমার. ‘ভারতীয় দর্শন’, কলকাতা, প্রগ্রেসিভ পাবলিশার্স, ১৯৯৯. পৃ. ২৮৬

২. স্বামী, বিশ্বরুপানন্দ. ‘বেদান্তদর্শনম’, কলকাতা, উদ্বোধন কার্যালয়, ১৯৯৬. পৃ. ৯৭

৩. স্বামী, বিশ্বরুপানন্দ. ‘বেদান্তদর্শনম’, কলকাতা, উদ্বোধন কার্যালয়, ১৯৯৬. পৃ. ৯৭

৪. মুখোপাধ্যায়, উপেন্দ্রনাথ. ‘বেদান্তসার’, কলকাতা, বাসুমতী সাহিত্য মন্দির, ১৩৩৯. পৃ. ৩

৫. ‘বেদান্তগ্রন্থমালা উপনিষৎ’. ‘গোলপার্ক’, কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫.

পৃ. ৩৭৯

৬. ব্রহ্মচারী, মেধাচৈতন্য. ‘বেদান্তসারের তিনটি টীকার বিশদ বঙ্গানুবাদ’, কলকাতা, দণ্ডীস্বামী দামোদর আশ্রম,

১৪১৬. পৃ. ১১

৭. ‘বেদান্তগ্রন্থমালা উপনিষৎ’. কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫. পৃ. ৩৭২

৮. ‘বেদান্তগ্রন্থমালা উপনিষৎ’, কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫. পৃ. ১১০

৯. ‘বেদান্তগ্রন্থমালা উপনিষৎ’, কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫. পৃ. ২৯৫

১০. ‘বেদগ্রন্থমালা উপনিষৎ’, গোলপার্ক, কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫.

পৃ. ৪০৭

১১. ‘বেদগ্রন্থমালা উপনিষৎ’, গোলপার্ক, কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫.

পৃ. ১২০

১২. ‘বেদগ্রন্থমালা্‌ উপনিষৎ’, ’গোলপার্ক, কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫.

পৃ. ১১২

১৩. বিশ্বরূপানন্দ, স্বামী. ‘বেদান্তদর্শনম’, কলকাতা, উদ্বোধন কার্যালয়, ২০১৯. পৃ. ৯৮

১৪. চক্রবর্তী, লোকনাথ. ‘বেদান্তসার’, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, ২০১৪. পৃ. ৯২

১৫. ভূতেশানন্দ, স্বামী. ‘কঠোপনিষদ’, কলকাতা, উদ্বোধন কার্যালয়, ২০১৭. পৃ. ৪০

১৬. ভূতেশানন্দ, স্বামী. ‘কঠোপনিষদ’, কলকাতা, উদ্বোধন কার্যালয়, ২০১৭. পৃ. ১৪৫-১৪৬

১৭. ‘বেদগ্রন্থমালা উপনিষৎ’, গোলপার্ক, কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫.

পৃ. ২৮৮

১৮. ‘বেদগ্রন্থমালা উপনিষৎ’, গোলপার্ক, কলকাতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, ২০১৫.

পৃ. ৩৪৯

১৯. চক্রবর্তী, লোকনাথ. ‘বেদান্তসার’, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, ২০১৪. পৃ. ২১৪

২০. চক্রবর্তী, লোকনাথ. ‘বেদান্তসার’, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, ২০১৪. পৃ. ২১৫

২১. চক্রবর্তী, লোকনাথ. ‘বেদান্তসার’, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, ২০১৪. পৃ. ২১৭

২২. চক্রবর্তী, লোকনাথ. ‘বেদান্তসার’, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, ২০১৪. পৃ. ২১৯

২৩. চক্রবতী, নীরদবরণ. ‘ভারতীয় দর্শন’, কলকাতা, দি ঢাকা স্টুডেন্টস লাইব্রেরী, ২০১৫. পৃ. ২৭৮

২৪. পাল, বিপদভঞ্জন. ‘বেদান্তসারঃ’, কলকাতা, সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার, ১৪২০. পৃ. ০৯

Downloads

Published

2023-07-05

Issue

Section

Articles

How to Cite

ব্রহ্মতত্ত্ব ও পরমগতি : সদানন্দ যোগীন্দ্রের দৃষ্টিতে একটি দার্শনিক রূপরেখা . (2023). TRISANGAM INTERNATIONAL REFEREED JOURNAL, 3(3), 507 – 515. https://tirj.org.in/tirj/article/view/1005