বৌদ্ধধর্মের সাংস্কৃতিক ভূগোল, আদি-মধ্যকালীন বঙ্গ : একটি প্রত্নতাত্ত্বিক সমীক্ষা

Authors

  • AFTAB MANSUR এম.ফিল, ইতিহাস বিভাগ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় Author

Keywords:

  • বৌদ্ধধর্ম,
  • সাংস্কৃতিক ভূগোল,
  • প্রত্নতত্ত্ব,
  • পুরাতন ভূ-ভাগ,
  • ব-দ্বীপ,
  • বঙ্গ-বঙ্গাল ও সমতট-হরিকেল

Abstract

ইতিহসের পটভূমিকায় প্রাকৃতিক ভূগোল ও মানব ভূগোলের একটি জটিল সংমিশ্রণ আর এই সংমিশ্রণকেই একটি নির্দিষ্ট ধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার প্রয়াসই এই নিবন্ধের মূল উপজীব্য বিষয়। আর ধর্মের উপস্থিতি সেই ভৌগোলিক অবস্থান কে এক নতুন দৃষ্টিকোণের প্রেক্ষাপটের জন্ম দেয়, যেখানে মানুষের ব্যবহারিক জীবনের বীজ নিহিত থাকে। অর্থাৎ বৌদ্ধধর্মের উপস্থিতি প্রাচীন বঙ্গের ভূগোলকে এক নতুন পরিমণ্ডল প্রদান করেছে। যেমন কোন ভৌগোলিক  অঞ্চলের নির্দিষ্ট ভূখণ্ড নামহীন বা অপরিচিত থাকলেও সেখানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হলে সেই ভূভাগ শুধুমাত্র আঞ্চলিক স্তরেই নয় বৃহৎ ভৌগোলিক স্তরেও পরিচয়ও লাভ করে। যেমন- বোধগয়া ও নালন্দা বৌদ্ধধর্মের ভিত্তিভূমি হওয়ার পূর্বে নামগন্ধহীন স্থান ছিল বা তার ভৌগোলিক অস্তিত্বের কথা এক সময় অজ্ঞাত ছিল। কিন্তু বৌদ্ধধর্মের পীঠস্থান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় স্থান দুটি শুধুমাত্র আঞ্চলিক ভাবে নয় বরং বৃহৎ ভৌগোলিক  অঞ্চল হিসাবে পরিচিতি লাভ করে এবং নিজ দেশের বাহিরেও ধর্মীয় ও ভৌগোলিক পরিচিতি পেতে শুরু করে। অর্থাৎ প্রাকৃতিক ভূগোল, মানব ভূগোল ও ধর্মীয় ভূগোলের জটিল অথচ পারস্পরিক সম্পর্ক তুলে ধরার প্রয়াস করাই এই গবেষণামূলক নিবন্ধের মূল উদ্দেশ্য।

Downloads

Download data is not yet available.

References

১. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ডিসকভারি অফ লিভিং বুদ্ধিজম ইন বেঙ্গল, ক্যালকাটা: হরি প্রেস, ১৮৯৭, পৃ. ভূমিকা অংশ

২. আব্দুল মমিন চৌধুরী, ‘হাজার বছরের পুরাতন বাঙালী: প্রাচীন বাংলার ব্যক্তিত্ব’- সুন্দরম, ৩য় বর্ষ, ১ম সংখ্যা, বঙ্গাব্দ ১৩৯৫. পৃ. ১-৮

৩. আহমেদ হাসান দানি, ‘ইন্ডিভিজুয়াল অফ বেঙ্গল আর্ট’, জার্নাল অফ বেঙ্গল আর্ট, খণ্ড ২, ঢাকা: ইন্টারন্যাশানাল সেন্টার ফর স্টাডি অফ বেঙ্গল আর্ট, ১৯৯৭, পৃ. ৯-১৬

৪. মহম্মদ হারুনুর রশিদ, ‘দ্য জিওগ্রাফিক্যাল ব্যগ্রাওন্ড টু দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড আর্কিওলজি অফ সাউথ বেঙ্গল’, জার্নাল অফ এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, খণ্ড ২৪-২৬, ১৯৭৯-৮১, পৃ. ১৫৯-১৭৮

৫. অমিতাভ ভট্টাচার্য, হিস্টোরিক্যাল জিওগ্রাফি অফ এন্সিয়েন্ট অ্যান্ড আর্লি মিডিয়েভেল বেঙ্গল, কোলকাতা: সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার, ১৯৭৭

৬. ব্যারি এম. মরিসন, পলিটিক্যাল সেন্টারস অ্যান্ড কালচারাল রিজিয়নস ইন আর্লি বেঙ্গল, টুকশন: দ্য ইউনিভার্সিটি অফ অ্যারিজনা প্রেস, ১৯৭০, পৃ. ৮

৭. এফ. কিলহর্ন, ‘খালিমপুর কপারপ্লেট ইনস্ক্রিপশন অফ ধর্মপাল’, এপিগ্রাফিয়া ইন্ডিকা, খণ্ড ৪, ১৯৭৯, পৃ. ২৪৩-৫৪

৮. আর. মুখার্জি এবং এস. কে. মাইতি, কর্পাস অফ বেঙ্গল ইনস্ক্রিপশনস বিয়ারিং অন হিস্ট্রি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন অফ বেঙ্গল, ক্যালকাটা: ফির্মা কে. এল. মুখোপাধ্যায়, ১৯৬৭

৯. তদেব, পৃ. ২৯৫

১০. তদেব, পৃ. ২৭৭

১১. আর. জি. বসাক, দ্য ফাইভ দামদরপুর কপারপ্লেট ইনস্ক্রিপশন অফ দ্য গুপ্তা পিরিয়ড, এপিগ্রাফিয়া ইন্ডিকা, খণ্ড ১৫, ১৯৮২, পৃ. ১৩১

১৩. বি. বসাক, ‘ধনাইদহ কপারপ্লেট ইনস্ক্রিপশন অফ দ্য টাইম অফ কুমারগুপ্ত I: দ্য ইয়ার ১১৮’, এপিগ্রাফিয়া ইন্ডিকা, খণ্ড ১৭, ১৯২৩-২৪, পৃ. ৩৪৫

১৪. কে. এন. দীক্ষিত, পাহাড়পুর কপারপ্লেট গ্রান্ট অফ দ্য {গুপ্ত} ইয়ার ১৫৯,

১৫. মুখার্জি এবং মাইতি প্রাগূক্ত, ৬৫

১৬. রিও সুকে ফুরুই, ‘পাঞ্চরোল (এগরা) কপারপ্লেট ইনস্ক্রিপশন অফ দ্য টাইম অফ সসাঙ্ক: আ রি-এডিশন’, প্রত্ন সমীক্ষা নিউ সিরিজ, খণ্ড ২, কোলকাতা: সেন্টার ফর আর্কিওলজিকাল স্টাডিস অ্যান্ড ট্রেনিং, ইস্টার্ন ইন্ডিয়া, ২০১১, পৃ. ১১৯-৩০

১৭. এস. আর দাস, অ্যান ইন্টেরিম রিপোর্ট অন এক্সক্যাভেশন অ্যাট রাজবাড়ীডাঙ্গা অ্যান্ড টেরাকোটা সিলস অ্যান্ড সিলিংস, ক্যালকাটা: এশিয়াটিক সোসাইটি, ২০০৩

১৮. ডি. সি. গাঙ্গুলি, ‘শক্তিপুর কপারপ্লেট ইনস্ক্রিপশন অফ লক্ষণসেন’, এপিগ্রাফিয়া ইন্ডিকা, খণ্ড ২১, ১৯৩১-৩২, প্রৃ. ২১১

১৯. এন. জি. মজুমদার, ‘মল্লসুরুল কপারপ্লেট অফ বিজয় সেন’, এপিগ্রাফিয়া ইন্ডিকা, খণ্ড ২৩, ১৯৪০, পৃ. ১৫৫

২০. ফুরুই প্রাগুক্ত, পৃ. ১১৯-৩০

২১. রুপেন্দ্রকুমার চট্টোপাধ্যায়, দ্য আর্কিওলজি অফ কোস্টাল বেঙ্গল, নিউ দিল্লি: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, পৃ. ১৯-২৫

২৩. মুখার্জি এবং মাইতি, প্রাগুক্ত, ২৯০

২৪. মুখার্জি এবং মাইতি, প্রাগুক্ত, ৯৫

২৫. স্যামুয়েল বিল, বুদ্ধিস্ট রেকর্ড অফ দ্য ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড, খণ্ড ২, নিউ দিল্লি: মতিলাল বানারসিদাস, ১৯৮১, পৃ. ১৯৪, ১৯৯-২০১

Downloads

Published

2023-04-03

Issue

Section

Articles

How to Cite

বৌদ্ধধর্মের সাংস্কৃতিক ভূগোল, আদি-মধ্যকালীন বঙ্গ : একটি প্রত্নতাত্ত্বিক সমীক্ষা. (2023). TRISANGAM INTERNATIONAL REFEREED JOURNAL, 3(2), 328-337. https://tirj.org.in/tirj/article/view/1050