বিজন ভট্টাচার্যের দেবীগর্জন : প্রতিরোধের আলেখ্য/ Bijan Bhattacharya's Devigorjan: A Tale of Resistance
Keywords:
- কৃষক আন্দোলন,
- শ্রেণিসংগ্রাম,
- People's Theatre Association (IPTA),
- সামন্ততন্ত্র,,
- গণচেতনা,
- রাজনৈতিক প্রতারণা
Abstract
বিজন ভট্টাচার্যের ‘দেবীগর্জন’ নাটক স্বাধীনতা-পরবর্তী কৃষকজীবনের শোষণ, প্রতিরোধ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক শক্তিশালী আখ্যান। নাটকে বীরভূমের সাঁওতাল ও ভাগচাষিদের জীবনের দুঃখ, জোতদার-মহাজনের অত্যাচার এবং রাজনৈতিক প্রতারণার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। স্বাধীনতার পর জমিদারি প্রথা বিলোপ হলেও মধ্যস্বত্বভোগী জোতদারদের শোষণ অব্যাহত থাকে। প্রভঞ্জন ও ত্রিভুবনের মতো চরিত্ররা গরিব কৃষকদের প্রতারণা করে জমি ও অধিকার কেড়ে নেয়। কিন্তু কৃষকসমাজ ধীরে ধীরে সংগঠিত হয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়। নাটকের গিরি, রত্না, মংলা ও সঞ্চারিয়ার মতো চরিত্রগুলি সংগ্রামী চেতনার প্রতীক। বিশেষভাবে নারীচরিত্রদের মাধ্যমে নারীর শক্তি ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রত্নার আত্মত্যাগ এবং শেষপর্যন্ত কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ শোষকের পতনের ইঙ্গিত দেয়। দেবী মায়ের প্রতীকী চিত্রের মাধ্যমে নাটকে দেখানো হয় যে অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে জনতার গর্জনই একদিন নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে।
Downloads
References
১. চন্দ্র, দীপক, বাংলা নাটকে আধুনিকতা ও গণচেতনা, দে'জ পাবলিশিং, প্রথম প্রকাশ, ১৫ ডিসেম্বর ১৯৮৪, কলকাতা, পৃ. ১৭৩-১৭৫
২. ভট্টাচার্য, বিজন, ‘নবান্ন’-এর নাট্যকারের প্রতিবেদন, বিজন ভট্টাচার্য, নবান্ন, দে'জ পাবলিশিং, প্রথম প্রকাশ, জানুয়ারি ২০০৪, কলকাতা, পৃ. ১২২
৩. বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্ধেন্দু, বাংলা নাটকের রাজনীতি ও নবান্ন, বিজন ভট্টাচার্য, নবান্ন, দে'জ পাবলিশিং, প্রথম প্রকাশ, জানুয়ারি ২০০৪, কলকাতা, পৃ. ১৪৬-১৪৭
৪. ভট্টাচার্য, বিজন, দেবীগর্জন, উষাপতি বিশ্বাস (সম্পাদিত), ইউনাইটেড বুক এজেন্সি, প্রথম প্রকাশ, জানুয়ারি ২০০৫, কলকাতা, পৃ. ৩৩
৫. তদেব, পৃ. ৮৮
৬. তদেব, পৃ. ৮৯
৭. চন্দ্র, দীপক, বাংলা নাটকে আধুনিকতা ও গণচেতনা, দে'জ পাবলিশিং, প্রথম প্রকাশ ১৫ ডিসেম্বর ১৯৮৪, কলকাতা, পৃ. ১৮৯
৮. ভট্টাচার্য, বিজন, দেবীগর্জন, উষাপতি বিশ্বাস (সম্পাদিত), ইউনাইটেড বুক এজেন্সি, প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০০৫, কলকাতা, পৃ. ৮৮
৯. তদেব, পৃ. ৯৪
১০. তদেব, পৃ. ৯৬
১১. তদেব, পৃ. ১০১
১২. তদেব, পৃ. ১১৪
১৩. তদেব, পৃ. ১১৭
১৪. তদেব, পৃ. ১১৮
১৫. তদেব, পৃ. ১১৯
১৬. তদেব, পৃ. ১২৩
১৭. তদেব, পৃ. ১৩৩

