UNISH SHATAK, ‘PATHER PANCHALI’ EBONG KATHAK HARIHAR ROY-ER OPOMRITYU/ উনিশ শতক, ‘পথের পাঁচালী’ এবং কথক হরিহর রায়ের অপমৃত্যু

Authors

  • Rahul Panda সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ বালুরঘাট মহিলা মহাবিদ্যালয় Author

Keywords:

  • 19th century Bengal,
  • Economic and cultural shifting,
  • Renaissance,
  • land reformation,
  • Emergence of city of Calcutta

Abstract

Nineteenth century was the turning period for the Bengal’s socio-cultural construct and establishment. It was also the time when mediaeval economic layout of Bengal took a hit and it turned into a new kind of feudalism thanks to the Permanent Settlement Rule passed by the then East India Company in 1793. Due to this economic transformation, city of Calcutta emerged as the newly settled conurbation of the state with the illumination of renaissance. Consequently all the prior affluent townships from Islamic reign like Berhampur, Murshidabad, Burdwan or Krishnanagar were compelled to get the backseat. These economic and political swaps also commuted the local people’s understanding of social celebrations and rituals. Due to colonial education system and Victorian refinements, the cultural aspects of Calcutta and surroundings were briskly changed. The artists who were attached to old customs and practices started to get affected by this conveyance. Writer Bibhutibhusan Bandyopadhyay in his all-time classic ‘Pather Panchali’ (1929) tried to catch this Cultural transitions and the dilemma of an artist through the focal point of Harihar Roy. Harihar was father of Apu, the main protagonist of the novel. By his job description, Harihar was a ‘Kathak’ (kind of reciter). He usually performed some selected parts from the old texts like Puranas, Bhagabata, Chandi-kavya and Mangal-Kavya. His consumers were by and large wealthy families from rural Bengal. But the new wave of cultural changes in Calcutta started to overpower Harihar’s line of work and job insecurity commenced to appear as the looming threat. In this article we will try to observe this particular cultural shock, changes and historical turn-arounds through the case of Harihar.

Downloads

Download data is not yet available.

References

১. বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ, রচনাবলী, দ্বাদশ খণ্ড, প্রথম প্রকাশ, তৃতীয় মুদ্রণ, মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স, ১৩৯৩, কলকাতা, পৃ. ৮২

‘কবির গুরু, ঠাকুর হরু’ – উনিশ শতকের দাপুটে কবিয়াল হরু ঠাকুর নিয়ে প্রচলিত এই স্তুতিবাক্যটি বিভূতিভূষণের পছন্দ ছিল বলেই মনে হয়। তাঁর একাধিক উপন্যাসে উপমাটি ফিরে ফিরে এসেছে। যেমন, ‘ইছামতী’-তে মেজ বৌ বিলু ভবানী বাঁড়ুজ্জ্যেকে শ্লেষ করে বলে, ‘-আহা রে, কি যে কথার ভঙ্গী! কবির গুরু, ঠাকুর হরু – হরু ঠাকুর এলেন।...’

২. বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভভূতিভূষণ, রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, প্রথম প্রকাশ, পঞ্চম মুদ্রণ, মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স, ১৩৯৪, কলকাতা, পৃ. ১৯১

৩. ঐ, পৃ. ১৯১

৪. ঐ, পৃ. ১৯১)

হরিহর এই সময় – “রাত্রে স্ত্রীর কাছে গল্প করিত – বাজারের বারোয়ারীতে কবির গান হচ্চে বুঝ্‌লে? ব’সে ব’সে শুন্‌লাম, বুঝলে?......সোজা পদ সব...কিছুই না, রও না, সংসারটা একটু গুছিয়ে নিয়ে বসি ভাল হ’য়ে – নতুন ধরনের পালা বাঁধবো – এরা সকলে গায় সেই সব মান্ধাতা আমলের পদ - ...”

৫. ঘোষ, বিনয়, ‘বাংলার নবজাগৃতি’, প্রথম ওরিয়েন্ট ব্ল্যাকসোয়ান মুদ্রণ, ২০০৯, কলকাতা, পৃ. ৪৫

৬. বিনয় ঘোষ এক্ষেত্রে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাঁর মতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে জমিদারদের রাজস্ব আদায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। কোম্পানির বকেয়া মেটানোর পরও জমিদারদের হাতে যা থেকে যাচ্ছিল, তার পরিমাণ নেহাত কম নয়। তবু যে বহু পুরাতন জমিদারি নিলামে উঠল, তার কারণ বেলাগাম ভোগলালসা, অপসংস্কৃতি, এবং নাগরিক ব্যভিচার। ইংরেজদের নতুন জমিদারী ব্যবস্থা সেগুলি ধ্বংস হওয়ার জন্য দায়ী ছিল না। অপরপক্ষে বদরুদ্দিন ওমর কিন্তু ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন। ওমরসাহেব দেখিয়েছেন, ১৭৯৩ সালে যখন প্রথম চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত লাগু হয়, তখন জমিদারি পিছু যে রাজস্ব নির্দিষ্ট করা হয়, তার পরিমাণ অনেকখানি। সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও এই রাজস্ব আদায় করা অনেকক্ষেত্রেই পুরাতন জমিদারদের পক্ষে সম্ভব হত না। এই অপারগতার অনিবার্য পরিণতি ছিল মহাজন-বেনিয়াদের কাছ থেকে ধার-দেনা, শেষে ধারের বোঝা গুরুভার হলে জমিদারী নিলাম। বিভূতিভূষণের ‘বিপিনের সংসার’ কিংবা তারাশঙ্করের ‘ধাত্রীদেবতা’, ‘কালিন্দী’ উপন্যাসে এই ধরনের পুরাতন জমিদার বংশগুলির দুরবস্থার চিত্র কিছু কিছু দেখা যায়। (দ্রষ্টব্য - বিনয় ঘোষের ‘বাংলার নবজাগৃতি’, বদরুদ্দিন ওমরের ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক’)

৭. বস্তুত, উনিশ শতকে জমিদারী পুঁজিসঞ্চয়ের ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছিল। ইংরেজরা আসার পর প্রথম প্রথম দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো কিছু ভারতীয় ইংরেজদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যবসা করলেও, তাঁরা বেশীদিন এঁটে উঠতে পারেননি। ফলে বাধ্য হয়ে তাঁরা ঝোঁকেন জমিদারী বা পরগনা কেনার দিকে। উনিশ শতকে জমিদারী থেকে বিলক্ষণ দু’পয়সা লাভ ছিল। বিনয় ঘোষ, গোপাল হালদার প্রমুখ বামপন্থী গবেষকদের আলোচনায় সে প্রসঙ্গ বারবার উঠে এসেছে।

৮. রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’ উপন্যাসে এর সুস্পষ্ট ইঙ্গিত আছে। বিহারী-মহেন্দ্র থাকত কলকাতায়। দুজনেই সমান উদ্যমহীন, অলস। পড়াশুনো তাদের কাছে শৌখিনতা, নেহাত করতে হয় বলেই করা। কিন্তু এদের অর্থের অভাব ছিল না, উৎস ছিল জমিদারী। বিহারীর যেমন নদীয়ায়, মহেন্দ্রের তেমন বারাসতে। সেসব জায়গা থেকে ঋতুভিত্তিক অর্থ এবং শস্য নিয়মিত পৌঁছে যেত কলকাতার বাড়িতে।

৯. ‘বাংলার নবজাগৃতি’-র পূর্বোদ্ধৃত সংস্করণ, পৃ. ৪৬

১০. ‘ইছামতী’-র পূর্বোদ্ধৃত সংস্করণ থেকে তথ্যদুটি গৃহীত। পৃষ্ঠা যথাক্রমে ৯৮ এবং ২২৬)

সাংস্কৃতিক রদবদলের বেশ স্পষ্ট ছবি মেলে ‘ইছামতী’ উপন্যাসে। ভবানী তার তিন বৌকে কিছুদিন উপনিষদ পড়ানোর চেষ্টায় ছিলেন। স্বভাবতই ব্যর্থ হন। ভবানী তখন মহাবিরক্ত হয়ে বলেছিলেন, ‘– বাংলা দেশে এর চর্চ্চা নেই। এখানে এসে দেখচি শুধু মঙ্গলচণ্ডীর গীত আর মনসার ভাসান আর শিবের বিয়ে – এই সব। বড্ড জোর ভাষা-রামায়ণ-মহাভারত।’ চণ্ডীর গীত খারাপ লাগলেও, দাশরথী রায়ের ভক্তিমূলক পাঁচালী কিন্ত ভবানীর মনে ধরেছিল। উলোতে বাবুদের বাড়িতে দাশরথী গাইতে এলে ভবানী গিয়ে শুনে আসেন। বড়ো বৌ তিলুকেও তিনি দাশরথির বেশ কিছু গান শিখিয়েছিলেন। মঙ্গল গান থেকে এভাবে দাশরথি রায়ে সরে আসা, উনিশ শতকের গ্রামবাংলায় পালটে যাওয়া সাংস্কৃতিক রুচির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

১১. ব্রাহ্মণের সামাজিক অবনমনও এই সময় থেকেই। ‘ইছামতী’ উপন্যাসে এর একটি চমৎকার নমুনা আছে। সেখানে হঠাৎ বড়োলোক কিন্তু নিম্নবর্ণের নালু পালের বাড়িতে দুর্গাপুজোর আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন গ্রামের কুলীন ব্রাহ্মণেরা। কিন্তু নালুকে জব্দ করা যায়নি। সে পাশের গ্রামগুলি থেকে নগদ অর্থমূল্যে কয়েকশো ব্রাহ্মণ ভাড়া করে আনে এবং তাদের প্রকাশ্যে ভোজন করায়।

১২. ‘পথের পাঁচালী’র পূর্বোদ্ধৃত সংস্করণ, পৃ. ১৫২

১৩. ‘ইছামতী’র পূর্বোদ্ধৃত সংস্করণ, পৃ. ২৪৭)

‘ইছামতী’ উপন্যাসে নদীর ঘাটে স্নান করার ফাঁকে গ্রামের মেয়ে-বৌদের অনুরোধে নিস্তারিণী একটি নিধুবাবুর টপ্পা গেয়েছিল, ‘ভালবাসা কি কথার কথা সই/ মন যার মনে গাঁথা/ শুকাইলে তরুবর বাঁচে কি জড়িত লতা -/ প্রাণ যার প্রাণে গাঁথা-’। শুনে মুগ্ধ হয়ে সবাই, দাবি উঠছিল আরও গান শোনানোর জন্য।

১৪. ‘নিম্নবর্গের ইতিহাস’, সম্পাদনা : গৌতম ভদ্র এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রথম সংস্করণ, সপ্তম মুদ্রণ, আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা, পৃ. ২৪১

গৌতম ভদ্রের ‘কথকতার নানা কথা’ প্রবন্ধ থেকে গৃহীত। প্রবন্ধটি সঙ্কলিত হয়েছে ‘নিম্নবর্গের ইতিহাস’ বইতে।

১৫. ঐ, পৃ. ২৪১

১৬. কথকদের উপার্জন সংক্রান্ত তথ্যের জন্য গৌতম ভদ্রের পূর্বোদ্ধৃত প্রবন্ধ, পৃ. ২০৩, ২০৪

১৭. ‘পথের পাঁচালী’র পূর্বোদ্ধৃত সংস্করণ, পৃ. ৩৫

১৮. ঐ, পৃ. ৫৬

১৯. গঙ্গোপাধ্যায়, সুনীল, ‘অর্ধেক জীবন’, প্রথম প্রকাশ, পঞ্চম মুদ্রণ, আনন্দ পাবলিশার্স, ২০০৭, পৃ. ২০৭

২০. মহানন্দ-সংক্রান্ত তথ্যের জন্য: চট্টোপাধ্যায়, সুনীলকুমার, ‘বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়’, প্রথম প্রকাশ, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, আষাঢ় ১৩৯৩, পৃ. ১, ২

এই প্রসঙ্গে একটি জরুরি তথ্য দেওয়ার যেতে পারে। সমালোচকরা বিভিন্ন সময়ে দেখিয়েছেন হরিহর চরিত্রটি আসলে বিভূতিভূষণের বাবা মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদলে তৈরি। হরিহরের মতো মহানন্দও কাশীতে শাস্ত্র পড়তে গিয়েছিলেন, জীবিকা হিসেবে কথকতাকে গ্রহণ করেছিলেন। সেযুগের বিখ্যাত কথক উদ্ধব শিরোমণি ছিলেন তাঁর গুরু। কথকতায় মহানন্দের যথেষ্ট পসার হয়েছিল। আশেপাশের গ্রাম আড়ংঘাটা-কৃষ্ণনগর তো বটেই, কলকাতা-রংপুর, এমনকি পাটনা-মুঙ্গের-আগ্রা থেকেও তাঁর ডাক আসত। তবে তিনি কখনো কাশী গিয়ে কথকতা করেছিলেন এমন তথ্য নেই।

২১. ‘পথের পাঁচালী’র পূর্বোদ্ধৃত সংস্করণ, পৃ. ১৯৮

২২. এখানে একটা বিকল্প প্রস্তাব রাখা যেতে পারে। গৃহত্যাগের সময় যদি পুণ্যভূমি কাশীর বদলে পাপের শহর কলকাতা নির্বাচন করত হরিহর, তাহলে তার কিঞ্চিৎ সুবিধে হতে পারত। জীবিকার দিক থেকে, কবিয়াল হওয়ার পুষে রাখা স্বপ্নের দিক থেকেও। কাশীর তুলনায় কলকাতা অনেকবেশি সম্ভাবনায়। কে না জানে রাজধানী কলকাতায় তখন শয়ে শয়ে জমিদার, তাদের ঘিরে আমোদগেঁড়ে মানুষের ভিড়, মন জোগানোর জন্য নিত্যনতুন মজার খোঁজ। কৃতকর্মা শিল্পীদের নাম হয় সেখানে, সম্মান, অর্থও। অন্যদিকে ভেবে দেখলে কাশীতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কার্যত হরিহরের কবি হওয়ার স্বপ্নের মৃত্যু ঘটে। কারণ কাশীতে কথকতা চলতে পারে, কবিগান নয়। কবিগান উনিশ শতকের দান, নবগঠিত কলকাতা শহরের ফসল, নগরের রুচি অনুযায়ী তার সৃষ্টি এবং বিবর্তন। কলকাতার বিভিন্ন বর্গের শ্রোতা এবং পৃষ্ঠপোষকদের চাহিদায় কবিগান সেকালের অন্যতম শক্তিশালী সাংস্কৃতিক মাধ্যম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। দুই কবিকে লড়িয়ে দিয়ে রাতভোর উত্তেজনা এবং উল্লাস, আগমনী গানের আত্মনিবেদন থেকে খেউড়ের নীচ অশ্লীলতা, এর সবটাই নিপাট নাগরিক প্রত্যাশার ফসল। কলকাতা থেকে দূরে গ্রামাঞ্চলেও যখন কবিগান ছড়িয়ে পড়েছে, তখনও সে এই বিক্ষুব্ধ নাগরিক অস্বস্তিতে বহন করে নিয়ে গেছে। কাশীতে কবিগানের এই পরিবেশ কোথায়? কাশী সনাতন ধর্মের পীঠস্থান, যাবতীয় রক্ষণশীলতার প্রতীক। ভারাক্রান্ত বিধবা বা বৃদ্ধ জীবনের ধীর-স্থির-সহিষ্ণুতার প্রতীক। বস্তুত কাশীর মৌলচরিত্রই কবিগানের বিরোধিতা করে। তাই কাশীতে হয়তো হরিহরের রোজকারের সুযোগ তৈরি হচ্ছিল, কিন্তু স্বপ্নের মৃত্যু ঘটেছিল। হরিহরের সমসাময়িক আর একটি চরিত্র কিন্তু কলকাতা গিয়েছিল এবং সফল হয়েছিল, সে খেতু। ত্রৈলোক্যনাথের ‘কঙ্কাবতী’ উপন্যাসের এই চরিত্রটি সব দিক থেকেই পিছুটানহীন, আধুনিক। দরিদ্র বিধবা মাকে ছেড়ে তার শহরে যেতে কষ্ট হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু কলকাতায় একবার পৌঁছনোর পর তার মনের আড় অনেকখানি ভেঙে যায়। সে ইংরেজি শেখে, নিষিদ্ধ ‘বরখ’ খায়, নারীশিক্ষায় উৎসাহী হয়ে ওঠে। যদিও খেতুর মধ্যে বাড়তি কিছু নীতিবোধ ঢুকিয়ে ত্রৈলোক্যনাথ চরিত্রটির মধ্যে সামঞ্জস্য রক্ষা করতে পারেননি, কিন্তু গ্রাম ছেড়ে জীবনধারণের জন্য যে কলকাতায় আসতেই হবে তা নিয়ে কোন সংশয় রাখেননি। এদিক থেকে হরিহরের তুলনায় খেতু আধুনিক। হরিহর আর খেতুর বৃত্তি যদিও আলাদা, ব্রিটিশ শাসনে কলোনির চরিত্র এবং সেখানে আর্থিকভাবে সফল হওয়ার উপায় খেতু আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিল।

২৩. গৌতম ভদ্রের পূর্বোদ্ধৃত প্রবন্ধ, পৃ. ২৫১

Downloads

Published

2024-07-29

Issue

Section

Articles

How to Cite

UNISH SHATAK, ‘PATHER PANCHALI’ EBONG KATHAK HARIHAR ROY-ER OPOMRITYU/ উনিশ শতক, ‘পথের পাঁচালী’ এবং কথক হরিহর রায়ের অপমৃত্যু. (2024). TRISANGAM INTERNATIONAL REFEREED JOURNAL, 4(3), 247 – 256. https://tirj.org.in/tirj/article/view/589