The spread of the Indian god Ganesha in Southeast Asia/ দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ায় ভারতীয় দেবতা গণেশের প্রসার
Keywords:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া,
- দেবতা,
- শিলালিপি,
- মূর্ত্তি,
- ভারতীয়
Abstract
ভগবান গণেশ হলেন হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং শিবের পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। হিন্দুরা সামুদ্রিক পথে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তাদের সংস্কৃতিকেও তাদের সঙ্গে নিয়ে যায়। যে সব মূর্তিগুলি সাথে করে তারা নিয়ে যায় তার মধ্যে গণেশের মূর্তিও রয়েছে। তাই শিবের উপাসনার পাশাপাশি গণেশের উপাসনাও জাভা, কম্বোজ, চম্পাসহ সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। হিন্দুদের ধীরে ধীরে ইন্দো চিনে চলে যাওয়া বার্মা, কম্বোডিয়া এবং থাইল্যাণ্ডে গণেশকে পরিবর্তিত আকারে প্রতিষ্ঠিত করে। থাইল্যান্ডে গণেশকে সৌভাগ্য ও সাফল্যের দেবতা এবং বাধা দূরকারী হিসেবে পূজা করা হয়। তিনি শিল্প, শিক্ষা ও বাণিজ্যের সাথেও যুক্ত। থাইল্যান্ডের চারুকলা বিভাগের প্রতীকে গণেশের উপস্থিতি রয়েছে। চম্পায় গণেশের পুজা প্রচলিত ছিল। ইন্দোনেশিয়ার বিষয়ে ইউরোপীয় পণ্ডিতরা তাকে ‘ইন্দোনেশিয়ান গড অফ উইসডম’ বলে অভিহিত করেন। বান্দুং-এ একটি রাস্তার নাম গণেশের নামে ও নামাঙ্কিত আছে। কম্বোডিয়া থেকে বিভিন্ন সময়ের গণেশের ছবি পাওয়া গেছে। জাভায় গণেশের মূর্তিটি খুব সাধারণ এবং সাধারণ ভাবে ভারতীয় গণেশের আদি রূপ অনুসরণ করে। বালিতে ভাস্কর্য ও চিত্রকর্মেও গণেশকে প্রতিনিধিত্ব করা হয়েছে। চম্পা থেকে গণেশের মূর্তি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেছে, যা থেকে ধারণা করা যায় যে একসময় গণেশের পূজা সে দেশে তার মা উমার থেকে বেশি জনপ্রিয় ছিল। এটি সাধারণত বিশ্বাস করা হয় যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গণেশের উপাসনা তুলনামূলক ভাবে দেরিতে বিকাশ লাভ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এ অঞ্চলে গণেশের জনপ্রিয়তা প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পায় এবং দেবতা হিসেবে তার গুরুত্ব প্রসার লাভ করে।
Downloads
References
১. T. A. Gopinatha Rao, Elements of Hindu Iconography, Vol-1, Carnell University Library, The Law Printing House, Madras 1914, pp. 35-45
২. Jitendra Nath Banerjea, Development of Hindu Iconography Superintendent, Calcutta University Press, Calcutta, 1956, P. 354
৩. R.C. Majumder, Ancient Indian Colonies in the Far East, Vol-1, Champa, the Punjab Sanskrit Book Depot, 1927, P.262
৪. Ibid.
৫. Ibid, P.191
৬. Jitendra Nath Banerjea, op.cit, P. 358
৭. Ibid, PP. 415-417
৮. Ibid.
৯. Lawrence Pulmer Briggs, The Ancient Khmer Empire, White Lotus Press, Thiland, 1951, P. 137
১০. Ibid, P. 46
১১. R.C Majumder, Ancient Indian Colonies in the Far East, Vol-ii, suvarnadyipa, Pt II, General Printers & Publishers Ltd, 1983, PP. 308-310
১২. R.C. Majumder, op.cit, P. 156
১৩. Ibid, p. 223
১৪. Ibid, p. 225
১৫. Ibid, p. 226
১৬. Ibid, p. 228
১৭. Ibid, p. 254
১৮. Ibid, p. 262
১৯. R.C Majumder, Ancient Indian Colonies in the Far East, Vol-II, suvarnadyipa, op.cit, P. 285
২০. Ibid, PP. 189-190
২১. Ibid, P. 29
২২. Ibid, P. 93
২৩. Jitendra Nath Banerjea, op.cit, p. 360
২৪. Ibid
২৫. Ibid
২৬. R.C. Majumder, op.cit, P. 335
২৭. Ibid, p. 337
২৮. Ibid, p. 338
২৯. R. Friedrioh, The Civilization and Culture of Bali, Sisil Gupta (India) Private Limited, Calcutta, 1959, P. 51
৩০. Ibid
৩১. Ibid, P. 52
৩২. Ibid
৩৩. Ibid, P. 41

