মধু’মানস : প্রসঙ্গ পত্রাবলী/ Madhu'manas: Contextual Papers
Keywords:
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর,
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত,
- মধু’মানস,
- পত্রাবলী
Abstract
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের পর বাংলা সাহিত্যের মাইকেল মধুসূদন দত্তই একমাত্র কবি, যিনি সাহিত্যের নতুন দিগন্তের প্রতিভু (মন্তব্যটি বিশেষত কবিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)। ‘বন্ধু রাজ, তোমাকে আমি হলপ করে বলতে পারি, আমি দেখা দেবো একটা বিশাল ধূমকেতুর মতো এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’ নিজের সম্পর্কে রাজনারায়ণ বসুকে মাইকেল যা লিখেছিলেন, তার মধ্যে সন্দেহের কোনো কারণ ছিল না। তবে তাঁর এই উক্তিতে একটি ভ্রান্তি লক্ষ্য করা যায়- তিনি যখন (জুলাই ১৮৬১) বলেছেন, তিনি ধূমকেতুর মতন দেখা দেবেন, তখন আসলে তিনি তুঙ্গে পৌঁছে গেছেন (ইতিমধ্যে মেঘনাদবধ কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড এবং বীরাঙ্গনা ছাড়া তাঁর সবগুলো গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে)। তত দিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের বিতর্কাতীত সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং নাট্যকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এ প্রতিষ্ঠা সত্ত্বেও তিনি অবশ্য নিজেকে নিয়ে পুরোপুরি তৃপ্ত ছিলেন না। তখনো ভাবছেন, কাব্যকলা তাঁর ঠিক আয়ত্তে আসেনি। সে জন্যে বলেছেন, ‘দেখা দেবো।’ তাঁর বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্ব অথবা তাঁর বিস্ময়কর আবির্ভাবের কথা এতকাল পরেও বাংলা সাহিত্যের পাঠকরা ভুলতে পারেননি।
Downloads
References
১. রায়, ড. সুশীল, ‘মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রাবলী’, ১৩৮৬ বৈশাখ, এম সি সরকার অ্যাণ্ড সন্স প্রাইভেট লিমিটেড, ১৪ বঙ্কিম চাটুজ্যে স্ট্রীট কলকাতা ৭৩, পৃ. ১৪
২. তদেব, পৃ. ১৬
৩. তদেব, পৃ. ১৮
৪. তদেব, পৃ. ২১, ২২
৫. তদেব, পৃ. ২১
৬. তদেব, পৃ. ৭৪
৭. তদেব, পৃ. ১০১
৮. তদেব, পৃ. ৮০
৯. তদেব, পৃ. ৮৬
১০. তদেব, পৃ. ৮৭
১১. তদেব, পৃ. ৯৫
১২. তদেব, পৃ. ১০৩
১৩. তদেব, পৃ. ৯৭
১৪. তদেব, পৃ. ১৪০
১৫. তদেব, পৃ. ১৪৮
১৬. তদেব, পৃ. ১৬৫
১৭. তদেব, পৃ. ১৬৯
১৮. তদেব, পৃ. ১৭২
১৯. তদেব, পৃ. ১৮৮
২০. তদেব, পৃ. ১৯৬
২১. সরকার, বাদল, নাট্য সঙ্কলন, বাউলমন প্রকাশন, ২৮ বালগঞ্জ গার্ডেন্স, কলকাতা- ১৯, পৃ. ২৬, ২৭

