মনুমৎস্যকথার বিশ্বব্যাপী প্রসার/ Manumatsyakathar Bishwabyapi Proshar
Keywords:
- মনুমৎস্যকথা,
- ভারতীয় সাহিত্য,
- বহির্ভারতীয় সাহিত্য
Abstract
ঋগ্বেদে কাব্য শব্দটি অতি পরিচিত। বহু মন্ত্রে কাব্যের প্রয়োগ দেখা যায়। পৃথিবীর যে কোনো ভাষার ও সাহিত্যের ইতিহাস আলোচনায় দেখা যায় সেই জগতে প্রথমেই পদ্যের সমুদ্র দেখা যায়, পরে দেখা যায় গদ্যের ভূভাগ। সংস্কৃত সাহিত্যের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। অলংকারিকগণ মূলতঃ গদ্য - কাব্যের কথা ও আখ্যায়িকা এই দুটি ভেদ স্বীকার করেন। আলোচ্য গবেষণা- প্রবন্ধে 'মনুমৎস্যকথা' নামক আখ্যায়িকাতে আলোকপাত করা হয়েছে। এই ‘মনুমৎস্যকথা’ আখ্যায়িকাটি শুক্লযজুর্বেদের মাধ্যন্দিন শতপথ ব্রাহ্মণের অন্তর্গত। এই মাধ্যন্দিন শতপথ শাখার প্রথম কান্ডের অষ্টম অধ্যায়ে ‘মনুমৎস্যকথা’ নামক আখ্যায়িকাটি দৃষ্ট হয় (১/৮/১)।
আলোচ্য গবেষণা-প্রবন্ধে মনুমৎস্যকথার ভারতীয় সাহিত্যে ও বহির্ভারতীয় সাহিত্যে প্রসার অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী প্রসারতা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
Downloads
References
১. দত্ত, রমেশচন্দ্র (সম্পা. ও অনু.), ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ, ঋগ্বেদ সংহিতা, কলকাতা, হরফ প্রকাশনী, পৃ. ১৬৯
২. তদেব, পৃ. ১৭০
৩. ব্যাসদেব, ১৪০০ বঙ্গাব্দ, মহাভারত (বনপর্ব), কলকাতা, বিশ্বব্যাপী প্রকাশনী, পৃ. ১৫৭৭
৪. তদেব, পৃ. ১৫৮৬
৫. তর্করত্ন, পঞ্চানন, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ, মৎস্যপুরাণ, কলকাতা, বঙ্গবাসী - ইলেকট্রমেসিন যন্ত্র, পৃ. ৫
৬. শ্রীমদ্ভক্তিবল্লভতীর্থ মহারাজ (সম্পা.), ৫১২ শ্রী গৌরাব্দ, ভাগবত পুরাণ, নদীয়া, পৃ. ২৯৮
৭. ১৯৭৪, পবিত্র বাইবেল, বাঙ্গালোর, ভারতের বাইবেল সোসাইটি, পৃ. ৭-৯
৮. Sanders, N.K, The Epic of Gilgamesh, Assyrian International News Agency, p. 20-21
৯. ভট্টাচার্য, শ্রী বিধুশেখর, পূর্বোক্ত গ্রন্থ, প্রাথমিক অংশ।
১০. Shastri, suryakanta, 1950, The Flood legend in sanskrit literature, Delhi, Chand and co, p. 8

