মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ছোটগল্পে দুর্ভিক্ষের প্রসঙ্গ
Keywords:
- পঞ্চাশের মন্বন্তর,
- বোট ডিনায়েল পলিসি,
- রাইস ডিনায়েল পলিসি,
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়,
- দুর্ভিক্ষ
Abstract
১৩৫০ বঙ্গাব্দে (১৯৪৩ খ্রীঃ) অবিভক্ত বাংলায় যে দুর্ভিক্ষ দেখা যায় তা পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত। কেবল জাপানের হাতে রেঙ্গুন পতনই নই; ১৯৪২-৪৩ এ বাংলার বেশ কিছু অঞ্চলে বন্যা এবং যুদ্ধকালীন সময়ে ব্রিটিশ সরকারের ‘বোট ডিনায়েল পলিসি’ এবং ‘রাইস ডিনায়েল পলিসি’ মন্বন্তরের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। পঞ্চাশের এই মন্বন্তরে ক্ষুধার তাড়নায় গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছড়িয়ে পড়ে দুর্ভিক্ষ। সামান্য কিছু খাদ্যের আশায় গ্রামের বুভুক্ষু মানুষেরা কলকাতা শহরের পথে ধাবিত হয়। গ্রাম থেকে আগত বুভুক্ষু মানুষগুলির জন্য কলকাতা শহরে বেশ কিছু লঙ্গরখানা খোলা হলেও এত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় রিলিফ দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে শহরের যত্রতত্র অনাহারে থাকা মানুষের লাশে ভরে উঠেছিল। পঞ্চাশের মন্বন্তরের এই ভয়াবহতা সমকালীন শিল্প–সাহিত্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮-৫৬) তাঁর সাহিত্য জীবনের দ্বিতীয় পর্বে দুর্ভিক্ষের এই ভয়াবহতা এবং তা থেকে উত্তরণের জন্য মানুষের সংগ্রামকে প্রত্যক্ষ করেন এবং তাকে সাহিত্যে রূপ দান দেন। এই পর্বে তাঁর রচিত ‘আজ কাল পরশুর গল্প’, ‘দুঃশাসনীয়’, ‘নমুনা’, ‘গোপাল শাসমল’, ‘তারপর?’, ‘সাড়ে সাত সের চাল’, ‘প্রাণ’, ‘মাসীপিসি’, ‘পেট ব্যাথা’ প্রভৃতি গল্পে দুর্ভিক্ষ কালীন গ্রাম বাংলার দুরাবস্থা ছবি ফুটে উঠেছে।
Downloads
References
১. মুখোপাধ্যায়, অরুণকুমার, কালের পুত্তলিকা, দে’জ, কলকাতা, ৪র্থ সংস্করণ, ২০১০, পৃ. ৪৪১
২. বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক, রচনা সমগ্র, ৫ খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা, ২০০৫, পৃ. ১৬৭
৩. তদেব, পৃ. ১৭০
৪. তদেব, পৃ. ১৭০
৫. বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক, শ্রেষ্ঠ গল্প (আবদুল মান্নান সৈয়দ – সম্পাদিত), প্রতীক প্রকাশনা, ঢাকা, আগষ্ট
২০১১, পৃ. ২০
৬. বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক, রচনা সমগ্র, ৫ খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা, ২০০৫, পৃ. ১৭৪
৭. তদেব, পৃ. ১৭৫
৮. তদেব, পৃ. ১৭৫
৯. তদেব, পৃ. ১৭৫
১০. তদেব, পৃ. ১৭৯
১১. তদেব, পৃ. ১৮৮
১২. তদেব, পৃ. ১৯০
১৩. তদেব, পৃ. ২৯৮
১৪. তদেব, পৃ. ২৯৯
১৫. তদেব, পৃ. ৩০৭

