SANKARER SANKSHIPTO JIBONKOTHA O SRISTISAMBHAR/ শংকরের সংক্ষিপ্ত জীবনকথা ও সৃষ্টিসম্ভার
Keywords:
- স্মৃতিকথা,
- জীবনাভিজ্ঞতা,
- অনালোচিত ঔপন্যাসিক-ব্যক্তিত্ব,
- ভ্রমণাভিজ্ঞতা,
- অমনিবাস
Abstract
শংকর একজন বর্ষীয়ান লেখক। ১৯৫৫ সালে প্রথম বই ‘কত অজানারে’ প্রকাশের পর থেকে তিনি অনবরত লিখে চলেছেন। ইতিমধ্যে বিশ-শতক অতিক্রান্ত হয়েছে। আমরা আছি একুশ শতকের তিনের দশকে। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়েও তিনি সমানভাবে সৃষ্টিশীল। সম্প্রতি (২০২৪, বইমেলা) তাঁর ‘অচেনা চিন্ময় : গাঁয়ের যোগী সাগরপারে’ বইটি প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর সমকালে বা বেশকিছু পরে লেখালিখির জগতে এসেছেন এমন অনেকেই সাহিত্যিক মহলে সসম্মানে স্বীকৃতি পেয়েছেন। অথচ শংকরকে কেউই তেমন ধর্তব্যের মধ্যে আনেননি। অন্তত ঔপন্যাসিক হিসেবে তিনি মর্যাদা পাননি কখনও। সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (বাংলা উপন্যাসের কালান্তর, দে’জ), অরুণকুমার মুখোপাধ্যায় (কালের প্রতিমা, দে’জ), হীরেন চট্টোপাধ্যায় (সাম্প্রতিক কথাসাহিত্য, দে’জ) এই তিনজনের লেখায় বিক্ষিপ্ত ও সংক্ষিপ্ত আকারে শংকরকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত ঘটেছে। ২০১৮ সালে গবেষক তীর্থ দাস ‘নির্বাচিত চলচ্চিত্রে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও শংকরের সাহিত্য : একটি সমীক্ষা’-এই শিরোনামে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি. এইচ. ডি. ডিগ্রি লাভ করেছেন। সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘জন-অরণ্য’ (১৯৭৬) ও ‘সীমাবদ্ধ’ (১৯৭১) সিনেমার চিত্রনাট্যই সেখানে গবেষকের প্রাথমিক উৎস এবং প্রতিপাদ্য শংকরের উপন্যাসের সঙ্গে সত্যজিৎ রায়ের চিত্রনাট্যের তুলনামূলক আলোচনা। ‘বঙ্গীয় সাহিত্য সংসদ’ থেকে প্রকাশিত ইন্দ্রাণী রুজের ‘জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস ও শংকরের চৌরঙ্গী (১৯৩০-২০০০)’ বইতে কেবলমাত্র জনপ্রিয়তার নিরিখে ‘চৌরঙ্গী’ উপন্যাসের আলোচনা লিপিবদ্ধ হয়েছে। শংকরের উপন্যাসগুলোর সামগ্রিক আলোচনা কোথাও নেই। আজ অবধি তাঁর একটিও উপন্যাসের সঠিক মূল্যায়ন হয়নি। অথচ তাঁর উপন্যাসের সংখ্যা প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি। শংকরকে নিয়ে বা শংকরের লেখাপত্র নিয়ে আগে কোনো গবেষণাধর্মী কাজ হয়নি। আমাদের প্রথাগত অ্যাকাডেমিক চত্বরেও শংকর বিশেষ আলোচিত নয়। তাঁর বেশিরভাগ উপন্যাসের সঠিক প্রকাশকাল পাওয়া যায়না। খুব বিখ্যাত ও প্রথম দিকের উপন্যাসগুলো ছাড়া কোথাও নির্দিষ্ট প্রকাশকাল নেই, সঠিক কোনো গ্রন্থপঞ্জিও নেই। যেগুলো আছে সেগুলোর তথ্যবিভ্রান্তি খুব সহজেই চোখে পড়ে। সেখানে প্রকাশকের গাফিলতিও রয়েছে যথেষ্ট। বেস্টসেলার লেখক বলেই তিনি ব্রাত্য থেকে গেলেন কিনা জানিনা! তবে তাঁকে নিয়ে আজও খুব একটা চর্চা হয়নি, হচ্ছে না। তিনি প্রচুর উপন্যাস লিখেছেন। অনেকের মধ্যে তিনিও কিছু উপন্যাসের জন্য বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে আলোচিত হওয়ার যোগ্য দাবীদার। প্রথমে আমরা তাঁর জীবনকে দেখার চেষ্টা করবো। কেননা উপন্যাসগুলি তাঁর জীবনাভিজ্ঞতারই প্রতিফলন। নিজের পেশাগত জীবনের খুঁটিনাটি বিষয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা তাঁর লেখাতেও আমরা পাই। তিনি আত্মজীবনী লেখেননি। তবে বেশকিছু স্মৃতিকথা তিনি লিখেছেন। সেখান থেকেই তাঁর জীবনের ধারাবাহিক আমরা উদ্ধার করবার চেষ্টা করতে পারি।
Downloads
References
১. শংকর, ‘একা একা একাশি’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, পরিবর্ধিত সপ্তম মুদ্রণ, জানুয়ারি ২০২১, পৃ. ১৩
২. শংকর, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই-২’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, সপ্তদশ সংস্করণ, জানুয়ারি ২০১৯, পৃ. ৯
৩. তদেব, পৃ. ৯
৪. তদেব, পৃ. ১২
৫. শংকর, ‘একা একা একাশি’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, পরিবর্ধিত সপ্তম মুদ্রণ, জানুয়ারি ২০২১ পৃ. ৩৪
৬. শংকর, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই-২’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, সপ্তদশ সংস্করণ, জানুয়ারি ২০১৯, পৃ. ১৩৫
৭. শংকর, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই-১’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, পঞ্চচত্বারিংশ সংস্করণ, জানুয়ারি ২০১৯, পৃ. ১৪
৮. তদেব, পৃ. ৪২
৯. শংকর, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই-২’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, সপ্তদশ সংস্করণ, জানুয়ারি ২০১৯, পৃ. ১১৮
১০. তদেব, পৃ. ১৩৬
১১. তদেব, পৃ. ৬৩
১২. শংকর, ‘একা একা একাশি’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, পরিবর্ধিত সপ্তম মুদ্রণ, জানুয়ারি ২০২১, পৃ. ১৬৫
১৩. তদেব
১৪. তদেব, পৃ. ৩৭৪
১৫. শংকর, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই-১’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, পঞ্চচত্বারিংশ সংস্করণ, জানুয়ারি ২০১৯, পৃ. ৬০
১৬. তদেব, পৃ. ৬৫
১৭. তদেব, পৃ. ৬৬
১৮. তদেব, পৃ. ১৩৮
১৯. শংকর, ‘একা একা একাশি’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, পরিবর্ধিত সপ্তম মুদ্রণ, জানুয়ারি ২০২১, পৃ. ২৭৮
২০. তদেব, পৃ. ২৭৮
২১. তদেব পৃ. ২৮০
২২. শংকর, ‘এপার বাংলা ওপার বাংলা’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, তৃতীয় সংস্করণ, জুলাই ২০২১, পৃ. ১১
২৩. শংকর, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই-১’, দে’জ, কলকাতা ৭৩, পঞ্চচত্বারিংশ সংস্করণ, জানুয়ারি ২০১৯, পৃ. ২১৩
২৪. তদেব, পৃ. ২১৫

