ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দৃষ্টিতে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় : সাহিত্য সমালোচনার পুনর্মূল্যায়ন/ Manik Bandopadhyay in the view of Dhurjatiprasad Mukhopadhyay: A reappraisal of literary criticism
Keywords:
- Manik Bandopadhyay,
- Literary complain,
- Dhurjotiprasad Mukhopadhyay,
- constructive criticism,
- socialist realism,
- Freudian psychoanalysis
Abstract
In 1940, Dhurjatiprasad Mukhopadhyay authored the inaugural critical essay on Manik Bandyopadhyay, titled ‘Manik Bandyopadhyay’, which was published in the ‘Parichay’ journal. By that time, Bandyopadhyay had already published twelve volumes of fiction. Notable among these were celebrated and popular novels such as ‘Dibaratrir Kabya’, ‘Putul nacher Itikatha’, and ‘Padma Nadir Majhi, alongside short story collections including ‘Atashimami O Anyanya Galpo’, ‘Pragoitihashik’, ‘Sarisrip’, and ‘Bou’.
While Bandyopadhyay’s literary trajectory witnessed a distinct transition from the Freudian psychoanalytic approach of his early phase to the ideologies of Marxism and Socialist Realism following his induction into the Communist Party of India in 1944, it is particularly intriguing that the earliest appraisal of his work was conducted by a figure of Dhurjatiprasad Mukhopadhyay’s stature—a rationalist writer and Marxist literary theorist. However, Mukhopadhyay raised certain objections regarding Bandyopadhyay’s literature, establishing a legacy of criticism and inquiry that persisted in subsequent discourse.
In this research paper, we have critically examined the validity of these allegations against Bandyopadhyay, analyzing the extent to which they are logically grounded. Our findings suggest that the very elements previously identified as flaws have subsequently been recognized as Bandyopadhyay’s distinctive strengths and stylistic signatures. Consequently, this study illuminates the historical significance of Dhurjatiprasad Mukhopadhyay’s essay from multiple perspectives.
Downloads
References
১. মুখোপাধ্যায়, ধূর্জটিপ্রসাদ, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, পুন:মুদ্রণ, ক্রোড়পত্র, ‘শতবর্ষে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, অনুষ্টুপ, কলকাতা, শীত-গ্রীষ্ম সংখ্যা, বর্ষ-৪২, ২য়-৩য় সংখ্যা, ২০০৮, পৃ. ২৩৬
২. রায়, অলোক, ‘সাহিত্যিক ধূর্জটিপ্রসাদ’, ‘বিশ শতক, প্রমা প্রকাশনী, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০১০, পৃ. ২২১
এখানে সমালোচক বলেছেন— "ধূর্জটিপ্রসাদ ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই লিখেছেন। ইংরেজি লেখা যারা পড়েছেন তাঁরা ধূর্জটিপ্রসাদকে অর্থনীতিবিদ ও সমাজতাত্ত্বিক বলে জানেন। বাঙালি পাঠকেরা তাঁর উপন্যাস ও ছোটোগল্পের সন্ধান রাখেন, সাহিত্য ও সংগীত সমালোচক হিসেবে তাঁর তাঁর প্রশংসা বা নিন্দা করে থাকেন।”
৩. মুখোপাধ্যায়, ধূর্জটিপ্রসাদ, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, পুন:মুদ্রণ, ক্রোড়পত্র, ‘শতবর্ষে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’। অনুষ্টুপ, কলকাতা, শীত-গ্রীষ্ম সংখ্যা, বর্ষ-৪২, ২য়-৩য় সংখ্যা, ২০০৮, পৃ. ২৩৬
৪. দাশ, ধনঞ্জয় (সম্পাদিত), ‘মার্কসবাদী সাহিত্য-বিতর্ক’ দ্বিতীয় খণ্ড, নতুন পরিবেশ প্রকাশনী, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৯৬০, পৃ. ১৫
৫. Jacques Derrida. ‘Writing and Defference’. The University of Chicago Press, London, 1987, p. 280
দ্রষ্টব্য: জাক দেরিদার ভাষায়, ‘when language invaded the universal problematic… everything becomes discourse.’
৬. বসু, প্রদীপ, ‘রাজনীতির তত্ত্ব তত্ত্বের রাজনীতি’, চর্চাপদ, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০১১, পৃ. ১৪৮
৭. ভট্টাচার্য, সুতপা, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসে নর-নারীর সম্পর্ক: প্রথম পর্যায়’, ‘বিশ শতকের কথাসাহিত্য অপণ্ডিতের পাঠ’, রত্নাবলি, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০৯, পৃ. ৩৮
৮. বন্দ্যোপাধ্যায়, সরোজ, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, ‘বাংলা উপন্যাসের কালান্তর’, দে’জ, কলকাতা, পঞ্চম সংস্করণ নভেম্বর ২০০৩, পৃ-২৭২
৯. বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক, ‘সাহিত্য করার আগে’, ‘লেখকের কথা’, নিউ এজ পাবলিশিং প্রাঃ. লিঃ, প্রথম প্রকাশ ১৯৫৭, পৃ. ২২
১০. ভট্টাচার্য, বিশ্ববন্ধু, ‘কথাশিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০৪, পৃ. ৪০
১১. মুখোপাধ্যায়, ধূর্জটিপ্রসাদ, ‘মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, পুন:মুদ্রণ, ক্রোড়পত্র, ‘শতবর্ষে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, অনুষ্টুপ, কলকাতা, শীত-গ্রীষ্ম সংখ্যা, বর্ষ-৪২, ২য়-৩য় সংখ্যা, ২০০৮, পৃ. ২৩৬
১২. মুখোপাধ্যায়, ধূর্জটিপ্রসাদ, ‘ধূর্জটিপ্রসাদ রচনাবলী’, দ্বিতীয় খণ্ড, দে’জ পাবলিশিং, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১০, কলকাতা, পৃ. ৫২৮
১৩. বসু, নিতাই, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমাজজিজ্ঞাসা’, দে’জ পাবলিশিং, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৯৮৬, পৃ. ৪০
১৪. মুখোপাধ্যায়, ধূর্জটিপ্রসাদ, ‘ধূর্জটিপ্রসাদ রচনাবলী’, দ্বিতীয় খণ্ড, দে’জ পাবলিশিং, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১০, কলকাতা, পৃ. ৩০
১৫. তদেব, পৃ. ১২৮
১৬. তদেব, পৃ. ৮০৫
১৭. তদেব, পৃ. ১২৯
১৮. রায়, অলোক, ‘সাহিত্যিক ধূর্জটিপ্রসাদ’, ‘বিশ শতক, প্রমা প্রকাশনী, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০১০, পৃ. ২২৩
১৯. বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীকুমার, ‘বঙ্গসাহিত্যে উপন্যাসের ধারা’, মডার্ণ বুক এজেন্সি প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা-৭৩, পুনর্মুদ্রণ ২০১৬, পৃ. ২৭৯
২০. তদেব, পৃ. ২৭৯
২১. মুখোপাধ্যায়, ধূর্জটিপ্রসাদ, ‘ধূর্জটিপ্রসাদ রচনাবলী’, দ্বিতীয় খণ্ড, দে’জ পাবলিশিং, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১০, কলকাতা, পৃ. ৫২৬
২২. হালদার, গোপাল, ‘মানিক প্রতিভা’, ‘দিবারাত্রির কাব্য’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যা, আফিফ ফুয়াদ সম্পাদিত, সপ্তদশ বর্ষ, তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যা, প্রকাশ-১৯৯৮, কলকাতা, পৃ. ১২৭
২৩. চৌধুরী, মানবেশ, ‘আমার মানিক—আমাদের মানিক’, তদেব, পৃ. ২২১
২৪. মিত্র, শ্রীসরোজমোহন, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন ও সাহিত্য’, গ্রন্থালয় প্রাঃ লিঃ, কলকাতা-১২, প্রথম প্রকাশ ১৯৭০, পৃ. ১
২৫. রায়, সত্যেন্দ্রনাথ, ‘বাংলা উপন্যাস ও তার আধুনিকতা, দে’জ পাবলিশিং, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০০০, পৃ. ২২০
২৬. ভট্টাচার্য, সুতপা, ‘ধূর্জটিপ্রসাদ কি নারীবিদ্বেষী ছিলেন?’, ‘মেয়েলি পাঠ’, পুস্তক বিপণি, কলকাতা-৯, প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০০০, পৃ. ১০৬
লেখক এখানে আলোচনার সমাপ্তিতে বলেছেন— “ধূর্জটিপ্রসাদকে পুরোপুরি নারীবিদ্বেষী বিশ্লেষণ দেওয়া ঠিক নয়, শুধুমাত্র শিক্ষিতা মেয়েদের প্রতিই ছিল তাঁর বিরাগ, বলা যায়, তারা তাঁর প্রত্যাশা পূরণ করেনি।”
২৭. বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থপ্রতিম, ‘নারী স্বাধীনতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, ‘দিবারাত্রির কাব্য’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যা। আফিফ ফুয়াদ (সম্পাদিত), কলকাতা, সপ্তদশ বর্ষ, তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যা, প্রকাশ-১৯৯৮, পৃ. ২৯৫
২৮. দাশ, শচীন, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প: দুই পর্বের বাস্তবতা’, ‘ফিরে দেখা : ছোটগল্প’, জ্যোতির্ময় দাশ ও অসীমকুমার বসু (সম্পাদিত), পত্রলেখা, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০৯, পৃ. ১৬৮
২৯. ভট্টাচার্য, প্রদীপ, ‘উপন্যাস দিবারাত্রির কাব্য প্রসঙ্গে’, ‘দিবারাত্রির কাব্য’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যা, আফিফ ফুয়াদ সম্পাদিত, কলকাতা, সপ্তদশ বর্ষ, তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যা, প্রকাশ-১৯৯৮, পৃ. ১৬৭
দ্রষ্টব্য: এখানে সমালোচক আরও বলেন— “…মানিক-শিল্পের বিরুদ্ধে ওঠা বেশ কতগুলো প্রশ্নচিহ্নের বিশ্লেষণ করে আমরা দেখলাম যে প্রশ্নগুলো শিল্পের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অবশ্যই ওঠে কিন্তু আবার শিল্পী হিসেবে মানিকের বৈশিষ্ট্যের নিরিখে সেগুলোর অধিকাংশ সূক্ষ্ম বিচারে খারিজও হয়ে যায়। আসলে একজন শিল্পীকে তাঁর নিজস্বতা বজায় রাখার স্বাধীনতাটুকু আমাদের দিতেই হয়। এ নাহলে তাঁর অনন্যতার সামনে গিয়ে আমরা দাঁড়াব কী করে?”
৩০ চক্রবর্তী, সুমিতা, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প: মধ্যবিত্তের আত্মদর্পন’, ‘ছোটগল্পের বিষোয়-আশয়’, পুস্তক বিপণি, কলকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১২, পৃ. ১৯৩
৩১ মুখোপাধ্যায়, ধূর্জটিপ্রসাদ, ‘মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, ‘অনুষ্টুপ’, অনিল আচার্য সম্পাদিত, কলকাতা, বর্ষ ৪২, ২য়-৩য় সংখ্যা, ২০০৮, পৃ. ২৩৪
আলোচ্য ‘মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়’ নামক প্রবন্ধেই ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বলেছেন— “বাংলা দেশে তাঁর বই কী রকম বিক্রি হয় জানি না, কিন্তু এমন একাধিক অ-বাঙালী দেখেছি যারা তাঁর রচনা সম্বন্ধে নিতান্ত আগ্রহশীল।”
৩২ রায়, সত্যেন্দ্রনাথ, ‘বাংলা উপন্যাস ও তার আধুনিকতা’, দে’জ পাবলিশিং, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০০, পৃ. ২০৩
৩৩ বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক, ‘মানিক গ্রন্থাবলী’, ত্রয়োদশ খণ্ড, গ্রন্থালয়য়, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৯৭৬, পৃ. ১৪৩
৩৪. ভট্টাচার্য, মালিনী, ‘নির্মানের সামাজিকতা ও আধুনিক বাংলা উপন্যাস’, দে’জ পাবলিশিং, কলকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১৮, পৃ. ১৫
৩৫. মুখোপাধ্যায়, ধূর্জটিপ্রসাদ, ‘বর্তমান গদ্য সাহিত্যে তিনখানি ভালো বই’, ‘ধূর্জটিপ্রসাদ রচনাবলী’, দ্বিতীয় খণ্ড, দে’জ পাবলিশিং, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০১০, কলকাতা, পৃ. ৪৫৬
কল্লোল গোষ্ঠীর লেখকদের সম্পর্কে এখানে প্রসঙ্গক্রমে প্রাবন্ধিক ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বলেছেন— “কল্লোলের সাহিত্যিকবৃন্দ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে গ্রাহ্য করেন না—কেন না তাঁদের অভিজ্ঞতা হচ্ছে প্রবৃত্তিমূলক, এবং প্রবৃত্তির ধর্ম বড়ই একঘেয়ে।…দরিদ্র নারায়ণের ক্রন্দনে হৃদয় যত পারে আন্দোলিত হোক, কিন্তু শিল্পক্ষেত্রে সে আন্দোলন আমাদের দেশে অন্য আন্দোলনের ন্যায় বাস্তবের দোহাই দিয়ে অ-বাস্তবের অত্যাচার হলেই দুঃখ।”
৩৬. বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক, ‘বাংলা প্রগতি সাহিত্যের আত্মসমালোচনা’, ‘পরিচয়’, গোলাম কুদ্দুস ও সরোজ কুমার দত্ত সম্পাদিত, কলকাতা নবম পর্যায়— প্রথম সংখ্যা, জানুয়ারি ১৯৫০, পৃ. ৬২
https://sanhati.com/wp-content/uploads/2008/06/opt_1_new_porichoy_january_1950.pdf

