‘পরভৃতিকা’ উপন্যাসের নায়িকা কৃষ্ণা : স্বনির্ভরতা ও স্বচ্ছ চরিত্রবোধ/ ‘Porobhritika’ uponyaser nayika Krishna : swanirbharata o swatcho charitabodh
Keywords:
- পরভৃতিকা,
- আত্মরক্ষা ও আত্মমর্যাদা,
- স্বনির্ভরতা এবং স্বচ্ছতা।
Abstract
সীতা দেবীর ‘পরভৃতিকা’ উপন্যাসটি রচিত হয় এমন এক সময়ে, যখন পিতৃতান্ত্রিক সমাজে কন্যাসন্তানকে প্রায় অনাবশ্যক আবর্জনার মতোই দেখা হত। জমিদার পরিবারে বংশরক্ষার একমাত্র মাধ্যম হিসেবে পুত্র সন্তানের আকাঙ্ক্ষা ছিল প্রবল। এই মানসিকতারই নির্মম শিকার হয় কৃষ্ণা। যার বেড়ে ওঠার কথা ছিল রাজপ্রাসাদে, তাকে যেতে হয় অচেনা পথে। মিসেস মিত্রের তত্ত্বাবধানে গিরিডির উশ্রী নদীর ধারে কৃষ্ণার শৈশব অতিবাহিত হয়। তাকে ‘খাঁটি মেম’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে নাম দেওয়া হয় ক্রীষ্টিনা এবং পড়াশোনার জন্য পাঠানো হয় কলকাতায়। কিন্তু আধুনিক পরিবেশ ও খ্রিস্টান আচার-আচরণ সত্ত্বেও কৃষ্ণা নিজের শিকড় ভুলতে পারে না। জমিদার বংশের বাঙালি সংস্কৃতি ও আত্মবোধ তার মধ্যে অটুট থাকে। সমগ্র উপন্যাস জুড়ে কৃষ্ণার জীবনসংগ্রাম আসলে পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক নীরব কিন্তু দৃঢ় প্রতিবাদ। কৃষ্ণা চরিত্রের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক কীভাবে নারীর বঞ্চনা, পরিচয় সংকট এবং আত্মপ্রতিষ্ঠার লড়াইকে গভীর মানবিকতায় তুলে ধরেছেন এবং এই কৃষ্ণার জীবনকাহিনিতে ঔপন্যাসিক নিজের জীবনবোধ ও চেতনাকে কীভাবে শিল্পরূপ দিয়েছেন, আলোচ্য প্রবন্ধে তা সংক্ষেপে আলোচনার চেষ্টা করা হবে।
Downloads
References
১. দেবী, সীতা ‘তিনটি উপন্যাস’, সম্পাদনা - অনসূয়া গুহ, দে’জ পাবলিশিং, কলকাতা ৭০০০৭৩, প্রথম প্রকাশ, জানুয়ারি, ২০০৯, মাঘ ১৪১৫, পৃ. ১৫
২. তদেব, পৃ. ৫৩
৩. তদেব, পৃ. ৪৮
৪. তদেব, পৃ. ১২২
৫. তদেব, পৃ. ১৪৫
৬. তদেব, পৃ. ২১২
৭. তদেব, পৃ. ১৪৫
৮. তদেব, পৃ. ২১২

